Skip to content
ডেইলি লাইভস্টক ডেইলি লাইভস্টক

"সত্য খবরে, প্রাণিসম্পদ ও বাইরে"

  • https://www.facebook.com/
  • https://twitter.com/
  • https://t.me/
  • https://www.instagram.com/
  • https://youtube.com/
ডেইলি লাইভস্টক ডেইলি লাইভস্টক

"সত্য খবরে, প্রাণিসম্পদ ও বাইরে"

  • প্রতিদিনের সারাদেশ
    • প্রানিসম্পদ অধিদপ্তর
      • কৃত্তিম প্রজনন
      • প্রানিসম্পদ সম্প্রসারন কাজ সম্পর্কিত
      • রোগব্যাধি
        • গরু
        • ছাগল
        • পোষা প্রানী
        • উদ্যোত্তা নিউজ
        • খামারি কথা
        • নিয়োগ/বদলি খবর
  • প্রশাসনিক
  • চাকরির খবর
  • হাঁস-মুরগী
    • মুরগী
    • হাঁস
  • পশুপালন
    • গরু পালন
    • ছাগল পালন
  • পোষা প্রাণী
    • বিড়াল
    • কুকুর
  • প্রতিদিনের সারাদেশ
    • প্রানিসম্পদ অধিদপ্তর
      • কৃত্তিম প্রজনন
      • প্রানিসম্পদ সম্প্রসারন কাজ সম্পর্কিত
      • রোগব্যাধি
        • গরু
        • ছাগল
        • পোষা প্রানী
        • উদ্যোত্তা নিউজ
        • খামারি কথা
        • নিয়োগ/বদলি খবর
  • প্রশাসনিক
  • চাকরির খবর
  • হাঁস-মুরগী
    • মুরগী
    • হাঁস
  • পশুপালন
    • গরু পালন
    • ছাগল পালন
  • পোষা প্রাণী
    • বিড়াল
    • কুকুর
Subscribe
Close

Search

Home/পশুপালন/গরু পালন/সবুজ ঘাস চাষ পদ্ধতি: কম জমিতে বেশি ফলন, খামারের খরচ কমানোর আসল সমাধান
কৃষক জমিতে নেপিয়ার ঘাসের কাটিং রোপণ করছেন

সবুজ ঘাস চাষ পদ্ধতি: কম জমিতে বেশি ফলন, খামারের খরচ কমানোর আসল সমাধান

17/09/2026 6 Min Read

গবাদিপশুর দৈনিক খাদ্যের ৬০-৭০% আসা উচিত সবুজ ঘাস থেকে, কিন্তু বাংলাদেশের বেশিরভাগ খামারি ঘাস কিনে খাওয়ান বা ভরসা করেন খড়-দানাদারের উপর। অথচ মাত্র ১০-১৫ শতক জমিতে নেপিয়ার বা জার্মান জাতের ঘাস চাষ করলে ৩-৪টি গরুর সারাবছরের সবুজ খাদ্যের চাহিদা মেটানো সম্ভব। এই লেখায় থাকছে জাত নির্বাচন থেকে শুরু করে জমি তৈরি, রোপণ, সার-সেচ ব্যবস্থাপনা, কাটার সঠিক সময়, রোগবালাই দমন এবং অর্থনৈতিক হিসাব — সবকিছু ধাপে ধাপে।

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার আনোয়ার হোসেনের চারটা গরু। প্রতিদিন সকালে তাকে মোটরসাইকেল নিয়ে ছুটতে হয় পাশের গ্রামে, কারো বাড়ির আইল থেকে ঘাস কিনতে। বর্ষায় এক আঁটি ঘাস ২০ টাকা, কিন্তু পৌষ-মাঘ মাসে সেই আঁটির দাম উঠে যায় ৪০-৫০ টাকায়। মাসে ঘাস বাবদই তার খরচ হয়ে যায় প্রায় সাড়ে চার হাজার টাকা। অথচ তার বাড়ির পাশে পতিত পড়ে আছে ১২ শতক জমি, যেখানে সারাবছর ঘাস-ই জন্মায় না, শুধু আগাছা।

আনোয়ারের সমস্যাটা একা তার না। বাংলাদেশের লাখো ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামারির গল্প এটাই — ঘাস কেনা, ঘাসের জন্য দৌড়ানো, আর দাম বাড়লে গরুর খাদ্য তালিকা থেকে সবুজ ঘাস বাদ দিয়ে দেওয়া। ফলাফল কী হয়, তা প্রতিটা অভিজ্ঞ খামারি জানেন — দুধ কমে যায়, গরু শুকিয়ে যায়, প্রজনন ক্ষমতা কমে, আর ভেটেরিনারিয়ানের কাছে ছুটতে হয় বারবার।

কেন এই সংকট হয়, কারা বেশি ভোগেন

সমস্যাটার মূলে আছে তিনটা কারণ। প্রথমত, বেশিরভাগ খামারি মনে করেন ঘাস চাষ করতে অনেক জমি লাগে, যা তাদের নেই। দ্বিতীয়ত, সঠিক জাত ও পদ্ধতি না জানার কারণে যারা চাষ করেন, তাদের ফলনও ভালো হয় না, তাই একবার ব্যর্থ হয়ে আর চেষ্টা করেন না। তৃতীয়ত, ঘাসকে অনেকে “বাড়তি কাজ” মনে করেন, প্রধান ফসল না ভেবে অবহেলা করেন।

সবচেয়ে বেশি ভোগেন ২-১০টি গরু বা ছাগল নিয়ে যারা ক্ষুদ্র পর্যায়ে দুগ্ধ বা মাংস খামার চালান, বিশেষত শহরতলি ও শুষ্ক অঞ্চলের (রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুরের কিছু অংশ) খামারিরা, যেখানে শীতকালে প্রাকৃতিক চারণভূমি প্রায় শুকিয়ে যায়।

কেন সবুজ ঘাস চাষ জরুরি

সবুজ ঘাস চাষ মানে খামারের নিজস্ব জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের ঘাস বপন করে সারাবছর কাটার ব্যবস্থা করা — বাজার থেকে কেনা বা প্রাকৃতিক চারণভূমির উপর নির্ভরতা কমানো।

সবুজ ঘাসে থাকে সহজপাচ্য আঁশ, ভিটামিন এ ও ই, বিটা-ক্যারোটিন এবং তুলনামূলক বেশি প্রোটিন (কাঁচা অবস্থায় শুষ্ক পদার্থের ১০-১৮%), যা শুকনো খড়ে অনেকাংশে থাকে না। নিয়মিত সবুজ ঘাস পেলে গাভীর দুধ উৎপাদন বাড়ে, প্রজনন চক্র স্বাভাবিক থাকে এবং দানাদার খাদ্যের খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।

নিজের জমিতে চাষ করলে প্রতি কেজি ঘাসের উৎপাদন খরচ বাজার মূল্যের তুলনায় অনেক কম পড়ে, কারণ শুধু সার, শ্রম আর সেচের খরচ যোগ হয় — মধ্যস্বত্বভোগীর লাভ বাদ যায়।

আমাদের দেশে আবাদি জমির উপর চাপ বেশি বলে অনেকেই ঘাসের জন্য আলাদা জমি রাখতে চান না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, একটি পূর্ণবয়স্ক গরুর দৈনিক প্রায় ২৫-৩০ কেজি সবুজ ঘাসের প্রয়োজন হয়, আর মাত্র ১০ শতক জমিতে নেপিয়ার জাতের ঘাস চাষ করলে বছরে ৪০-৫০ টন পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব, যা দিয়ে ২-৩টি গরুর সারাবছরের চাহিদা মেটে।

উপযুক্ত জাত নির্বাচন: কোন ঘাস আপনার জন্য

জাত নির্বাচনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, কারণ ভুল জাত বেছে নিলে যত ভালো যত্নই করুন না কেন, ফলন আশানুরূপ হবে না।

জাতের নামফলন (বছরে/শতক)রোপণ পদ্ধতিবিশেষত্ব
নেপিয়ার (হাইব্রিড/পাকচং)৩৫০-৫০০ কেজিকাটিংসবচেয়ে জনপ্রিয়, খরা সহনশীল, ৪৫-৫০ দিনে কাটার উপযোগী
জার্মান (বারোমাসি)৩০০-৪০০ কেজিকাটিংনরম, সুস্বাদু, ছাগলের জন্য চমৎকার
রুজি ঘাস২৫০-৩৫০ কেজিকাটিং/বীজজলাবদ্ধতা সহনশীল, নিচু জমিতে ভালো
ভুট্টা/জোয়ার ঘাস২০০-৩০০ কেজিবীজদ্রুত বর্ধনশীল, একবার কেটে শেষ করার মতো
প্যারা ঘাস২০০-২৫০ কেজিকাটিংজলাভূমি ও নদীর চরে ভালো জন্মে

এক্সপার্ট টিপ: নতুন খামারিদের জন্য নেপিয়ার-পাকচং জাত সবচেয়ে নিরাপদ পছন্দ — এটি প্রায় সব ধরনের মাটিতে টেকে, একবার লাগালে ৪-৫ বছর ফলন দেয়, এবং কাটার পর দ্রুত আবার গজায়।

জমি প্রস্তুতি: ভিত্তি শক্ত না হলে ফলন আসবে না

জমি নির্বাচনের সময় দেখুন পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা আছে কিনা, কারণ ঘাসের গোড়ায় পানি জমে থাকলে পচন ধরে। মাটি ২-৩ বার চাষ ও মই দিয়ে ঝুরঝুরে করতে হবে, তারপর শতক প্রতি ২০০-২৫০ কেজি পচা গোবর সার ছিটিয়ে জমিতে মিশিয়ে দিতে হয়।

সাধারণ ভুল: অনেক খামারি জমি না চাষ করেই কাটিং পুঁতে দেন, ফলে শিকড় মাটির গভীরে যেতে পারে না আর প্রথম কাটার পরই ফলন কমে যায়। জমি অবশ্যই ভালোভাবে চাষ করে সমতল করে নিতে হবে।

রোপণ পদ্ধতি: কাটিং না বীজ

নেপিয়ার/জার্মান/রুজি ঘাসের জন্য কাটিং পদ্ধতি: ৩-৪ গিঁটবিশিষ্ট সুস্থ কাটিং সংগ্রহ করে সারিতে ৭৫x৬০ সেন্টিমিটার দূরত্বে ৪৫ ডিগ্রি কোণে মাটিতে পুঁততে হয়, যাতে দুটি গিঁট মাটির নিচে ও একটি উপরে থাকে।

ভুট্টা/জোয়ার ঘাসের জন্য বীজ পদ্ধতি: শতক প্রতি প্রায় ২৫০-৩০০ গ্রাম বীজ সারিতে বপন করতে হয়, সারির দূরত্ব রাখতে হয় ৩০-৪৫ সেন্টিমিটার।

নরসিংদীর এক খামারি প্রথমবার নেপিয়ার লাগিয়ে অভিযোগ করেছিলেন, কাটিং পুঁতেই তো ঘাস মরে যাচ্ছে। পরে দেখা গেল, তিনি কাটিং সোজা করে মাটিতে গেঁথে দিচ্ছিলেন, যেখানে গিঁট থেকে শিকড় বের হওয়ার সুযোগই থাকে না। ৪৫ ডিগ্রি কোণে কাটিং বসানোর নিয়ম মেনে দ্বিতীয়বার লাগানোর পর তার জমিতে প্রায় ৯৫% কাটিং টিকে যায়।

সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা

রোপণের সময় গোবর সারের পাশাপাশি শতক প্রতি ১ কেজি টিএসপি ও আধা কেজি এমওপি মাটিতে মিশিয়ে দিতে হবে। প্রতিটি কাটার পর শতক প্রতি ৩০০-৪০০ গ্রাম ইউরিয়া প্রয়োগ করলে দ্রুত নতুন কুশি গজায় এবং প্রোটিনের পরিমাণও বাড়ে।

সেচের ক্ষেত্রে শুষ্ক মৌসুমে প্রতি ১০-১২ দিনে একবার সেচ দিতে হবে, বিশেষত রোপণের প্রথম মাসে মাটি শুকিয়ে গেলে কাটিং মরে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। বর্ষায় বাড়তি সেচের প্রয়োজন হয় না, তবে জমিতে পানি জমে থাকলে দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে।

রোগবালাই ও পোকা দমন

নেপিয়ার ঘাসে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় পাতা মোড়ানো পোকা ও মিলিবাগের আক্রমণ, বিশেষত রোপণের পর শুকনো ও গরম আবহাওয়ায়। আক্রমণ দেখা দিলে আক্রান্ত অংশ কেটে ফেলে দিতে হবে এবং জৈব বালাইনাশক (নিম তেল স্প্রে) ব্যবহার করা যেতে পারে। রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহারের ক্ষেত্রে অন্তত ১৫-২০ দিনের অপেক্ষার সময় (withdrawal period) মেনে চলতে হবে, কারণ এই ঘাসই সরাসরি পশুর মুখে যাচ্ছে।

কাটার সঠিক সময় ও পদ্ধতি

নেপিয়ার ও জার্মান ঘাস রোপণের ৭৫-৯০ দিন পর প্রথম কাটা যায়, এরপরের কাটাগুলো ৪৫-৫০ দিনের ব্যবধানে করা যায়। মাটি থেকে ১০-১৫ সেন্টিমিটার উঁচুতে কাটতে হবে — একদম গোড়া থেকে কাটলে গাছের পুনরুজ্জীবন ক্ষমতা কমে যায় এবং পরবর্তী ফলন ব্যাহত হয়।

সাধারণ ভুল: অনেকে ঘাস অতিরিক্ত বড় (৬০ দিনের বেশি) হতে দেওয়ার পর কাটেন, ভাবেন এতে বেশি ওজন পাওয়া যাবে। কিন্তু বেশি পরিপক্ব ঘাসে আঁশের (fiber) পরিমাণ বেড়ে যায় এবং প্রোটিনের পরিমাণ কমে যায়, ফলে পুষ্টিমান কমে যায়।

শুধু চাষ করলেই হবে না, খাওয়াতে হবে বুঝে

একজন ভেটেরিনারিয়ান হিসেবে বলছি, তাজা কাটা কচি ঘাস, বিশেষত বৃষ্টির পর কাটা ঘাস, সরাসরি খালি পেটে বেশি পরিমাণে খাওয়ালে গরু-ছাগলের পেট ফাঁপা (Bloat) হতে পারে, কারণ কচি ঘাসে দ্রুত গাঁজন হওয়া কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বেশি থাকে। এজন্য কাটার পর ঘাস কিছুক্ষণ (২-৩ ঘণ্টা) রোদে শুকিয়ে ঝিমিয়ে নিয়ে তারপর খাওয়ানো নিরাপদ।

এছাড়া নাইট্রোজেন সার বেশি প্রয়োগ করা জমির ঘাসে নাইট্রেট জমা হতে পারে, যা অতিরিক্ত মাত্রায় পশুর জন্য বিষাক্ত। তাই সুপারিশকৃত মাত্রার বেশি ইউরিয়া প্রয়োগ থেকে বিরত থাকা এবং সার প্রয়োগের অন্তত ২ সপ্তাহ পর ঘাস কাটা ভালো অভ্যাস। জীবাণু ও পরজীবী সংক্রমণ এড়াতে জমিতে সরাসরি গোবর বা মলমূত্র মিশ্রিত পানি না দিয়ে ভালোভাবে পচানো সার ব্যবহার করাই নিরাপদ।

পরামর্শঃ

শুধু একটি জাতের ঘাসের উপর নির্ভর না করে জমির একাংশে নেপিয়ার আর বাকি অংশে জার্মান বা রুজি ঘাস লাগান। এতে কাটার সময়সূচি ভাগ হয়ে যায়, এক জায়গার ঘাস বড় হতে থাকা অবস্থায় আরেক জায়গার ঘাস কাটার উপযোগী থাকে — ফলে সারাবছর ধারাবাহিকভাবে সবুজ ঘাসের সরবরাহ নিশ্চিত হয়।

ফলন ও অর্থনৈতিক হিসাব (আনুমানিক)

  • জমির পরিমাণ: ১০ শতক
  • প্রাথমিক খরচ (কাটিং, সার, শ্রম): প্রায় ৩,০০০-৪,০০০ টাকা
  • বার্ষিক ফলন: আনুমানিক ৩৫-৪০ টন (নেপিয়ার-পাকচং)
  • বাজারমূল্য অনুযায়ী সাশ্রয়: প্রতি কেজি ঘাস কিনতে ২-৩ টাকা লাগলে, বছরে ৭০,০০০-১,২০,০০০ টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় সম্ভব

এই হিসাব এলাকাভেদে ও যত্নের মাত্রার উপর ভিন্ন হতে পারে — এটি নির্দিষ্ট গ্যারান্টিযুক্ত আয়ের প্রতিশ্রুতি নয়, বরং একটি সাধারণ ধারণা।

সবুজ ঘাস চাষ কোনো বাড়তি ঝামেলা নয় — এটি খামারের লাভজনকতার ভিত্তি। যে খামারি প্রতিদিন ঘাসের জন্য বাজারে দৌড়ান বা দাম বাড়লে দুশ্চিন্তায় পড়েন, তার জন্য এটাই দীর্ঘমেয়াদী সমাধান। শুরুটা ছোট করুন — মাত্র ৫-১০ শতক জমি দিয়ে হলেও, সঠিক জাত বেছে, নিয়ম মেনে যত্ন নিন। কয়েক মাসের মধ্যেই দেখবেন, গোখাদ্যের খরচ কমছে, আর গরুর স্বাস্থ্য ও দুধ উৎপাদন — দুটোতেই তার প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন:

প্রশ্ন: কত শতক জমি থাকলে ঘাস চাষ শুরু করা যায়?

মাত্র ৫-১০ শতক জমি থাকলেও নেপিয়ার ঘাস চাষ করে ২-৩টি গরুর আংশিক চাহিদা মেটানো সম্ভব।

প্রশ্ন: নেপিয়ার ঘাসের কাটিং কোথায় পাওয়া যায়?

নিকটস্থ উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বা অভিজ্ঞ খামারিদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা যায়।

প্রশ্ন: একবার লাগানো ঘাস কতদিন ফলন দেয়?

সঠিক পরিচর্যা করলে নেপিয়ার ও জার্মান জাতের ঘাস ৪-৫ বছর পর্যন্ত নিয়মিত ফলন দিতে থাকে, এরপর নতুন করে লাগানো ভালো।

প্রশ্ন: শীতকালেও কি ঘাস চাষ করা যায়?

হ্যাঁ, তবে শীতে বৃদ্ধির হার কমে যায় ও সেচের প্রয়োজন বাড়ে। শীতের আগেই জমি প্রস্তুত রাখা ভালো।

-ইজাজ আহমেদ

Tags:

উন্নত জাতের ঘাস চাষগবাদিপশুর সবুজ খাদ্যঘাস চাষে সার প্রয়োগঘাসের কাটিং রোপণজার্মান ঘাসনেপিয়ার ঘাস চাষরুজি ঘাস
Author

Ijaj Ahmed

Follow Me
Other Articles
খড়ে ইউরিয়া মোলাসেস দ্রবণ ছিটিয়ে UMS তৈরি করছেন খামারি
Previous

ইউরিয়া মোলাসেস স্ট্র (UMS): সস্তা খড়কে বদলে দিন পুষ্টিকর গোখাদ্যে

Recent Posts

  • সবুজ ঘাস চাষ পদ্ধতি: কম জমিতে বেশি ফলন, খামারের খরচ কমানোর আসল সমাধান
  • ইউরিয়া মোলাসেস স্ট্র (UMS): সস্তা খড়কে বদলে দিন পুষ্টিকর গোখাদ্যে
  • হে (Hay) তৈরি: বর্ষা ও শুষ্ক মৌসুমেও গবাদিপশুর জন্য সবুজ ঘাসের নিশ্চয়তা
  • গরুর সাইলেজ তৈরি: ঘাস সংকটেও সারাবছর দুধ আর মাংসের নিশ্চয়তা দেবে যে পদ্ধতি
  • শাহীওয়াল গরু: বাংলাদেশের আবহাওয়ায় সেরা দুধেল জাত চেনার ও পালনের উপায়- Shahiwal Breed

কৃষক জমিতে নেপিয়ার ঘাসের কাটিং রোপণ করছেন
গরু পালন

সবুজ ঘাস চাষ পদ্ধতি: কম জমিতে বেশি ফলন, খামারের খরচ কমানোর আসল সমাধান

Ijaj Ahmed
17/09/2026
খড়ে ইউরিয়া মোলাসেস দ্রবণ ছিটিয়ে UMS তৈরি করছেন খামারি
গরু পালন

ইউরিয়া মোলাসেস স্ট্র (UMS): সস্তা খড়কে বদলে দিন পুষ্টিকর গোখাদ্যে

Ijaj Ahmed
17/09/2026
কৃষক মাঠে ঘাস শুকিয়ে হে তৈরি করছেন
গরু পালন

হে (Hay) তৈরি: বর্ষা ও শুষ্ক মৌসুমেও গবাদিপশুর জন্য সবুজ ঘাসের নিশ্চয়তা

Ijaj Ahmed
11/09/2026
"সাইলো পিটে ভুট্টার সাইলেজ তৈরির ছবি"
গরু পালন

গরুর সাইলেজ তৈরি: ঘাস সংকটেও সারাবছর দুধ আর মাংসের নিশ্চয়তা দেবে যে পদ্ধতি

Ijaj Ahmed
10/09/2026
শাহীওয়াল জাতের গাভী বাংলাদেশের খামারে দুধ দিচ্ছে
গরু পালন

শাহীওয়াল গরু: বাংলাদেশের আবহাওয়ায় সেরা দুধেল জাত চেনার ও পালনের উপায়- Shahiwal Breed

Ijaj Ahmed
10/09/2026
সারাদেশ

মাভাবিপ্রবি ভেটেরিনারি অনুষদের ইন্ডাস্ট্রি পরিদর্শন । ACME Laboratories Ltd.

Ijaj Ahmed
09/09/2026

Archives

  • September 2026
  • August 2026
  • July 2026
  • October 2025
  • September 2025
  • August 2025
  • July 2025
  • June 2025
  • May 2025
  • April 2025
  • March 2025

Categories

  • Blog
  • Featured
  • আন্তর্জাতিক খবর
  • খামার ব্যবস্থাপনা
  • খামারি কথা
  • গরু
  • গরু পালন
  • চাকরির খবর
  • ছাগল পালন
  • ছাত্র-ছাত্রী খবর
  • দিবস
  • প্রশাসনিক খবর
  • বিজ্ঞান
  • বিড়াল
  • ব্যবসা-বানিজ্য
  • মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
  • মুরগী পালন
  • রোগব্যাধি
  • সারাদেশ

ডেইলি লাইভস্টক

সত্য খবরে, প্রাণিসম্পদ ও বাইরে
  • আমাদের সম্পর্কে
  • বিজ্ঞাপন
  • সার্কুলেশন
  • নীতি ও শর্ত
  • যোগাযোগ
  • সম্পাদকীয় নীতিমালা

প্রাণিস্বাস্থ্য

বাণিজ্য

আন্তর্জাতিক

রোগব্যাধি

পশুপালন

  • প্রকাশক- ডা. মো. রায়হান নবী
  • সম্পাদক- ইজাজ আহমেদ
©কপিরাইট 2026 — ডেইলি লাইভস্টক । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত